১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১২ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলা: এবার সৌদি আরবেও বিস্ফোরণ

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ণ
ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলা: এবার সৌদি আরবেও বিস্ফোরণ

Manual6 Ad Code

ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলা: এবার সৌদি আরবেও বিস্ফোরণ

শেখ স্বপ্না শিমুঃ ইরানের ওপর মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা এখন চরম আকার ধারণ করেছে।ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি যৌথ হামলা: এবার সৌদি আরবেও বিস্ফোরণ

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে ইরানের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় হামলার পর এবার সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

Manual4 Ad Code

এর আগে ইরানের ওপর মার্কিন হামলার তীব্র সমালোচনা করে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের উপ-চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ বলেছেন, এই হামলার মাধ্যমে ওয়াশিংটন তাদের ‘আসল রূপ’ দেখিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, মেদভেদেভ এই অভিযানকে আন্তর্জাতিক কূটনীতির জন্য এক ‘চরম বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

এএফপি জানিয়েছে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদেও বেশ কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে এই বিস্ফোরণের উৎস বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

Manual4 Ad Code

এদিন সকালে ইরানের অভ্যন্তরে আকাশ ও সমুদ্রপথে যৌথ হামলা শুরু করে ইসরাইল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের সঙ্গে মিলে এই সামরিক অভিযানের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেছেন।

Manual8 Ad Code

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, হামলার তীব্রতা এতটাই ছিল যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয় এবং প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের কার্যালয়ের সামনেও বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে।

Manual5 Ad Code

ইরানের এক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, হামলার সময় সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি তেহরানে ছিলেন না এবং তাকে দ্রুত একটি ‘নিরাপদ স্থানে’ সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানও নিরাপদ রয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র দিমিত্রি মেদভেদেভ টেলিগ্রামে দেয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ইরানকে লক্ষ্য করে সামরিক অভিযান চালানোর আগে যুক্তরাষ্ট্র মূলত পরমাণু আলোচনাকে একটি ‘ছদ্মবেশ’ বা কভার-আপ হিসেবে ব্যবহার করেছে। তিনি বলেন, ‘তথাকথিত শান্তিকামীরা আবারও তাদের আসল চেহারা দেখালো। ইরানের সঙ্গে যাবতীয় আলোচনা ছিল আসলে একটি সাজানো অপারেশন। কেউ কখনোই কোনো বিষয়ে একমত হতে চায়নি।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code