৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

(বিশাল নিয়োগ ) সম্পূর্ণ সরকারি নীতিমালা মেনে সারাদেশে ৫৫০ জন্য মাঠ প্রশাসন নিয়োগ দিবে জাতীয় স্বায়ত্বশাসিত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান- NHR.DO.NGO-ক্ষুদ্র ঋণদান প্রকল্প: BEEC

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৫, ২০২৬, ০৭:১২ অপরাহ্ণ
(বিশাল নিয়োগ ) সম্পূর্ণ সরকারি নীতিমালা মেনে সারাদেশে ৫৫০ জন্য মাঠ প্রশাসন নিয়োগ দিবে জাতীয় স্বায়ত্বশাসিত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান- NHR.DO.NGO-ক্ষুদ্র ঋণদান প্রকল্প: BEEC

Manual3 Ad Code

(বিশাল নিয়োগ ) সম্পূর্ণ সরকারি নীতিমালা মেনে সারাদেশে ৫৫০ জন্য মাঠ প্রশাসন নিয়োগ দিবে জাতীয় স্বায়ত্বশাসিত বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান- NHR.DO.NGO-ক্ষুদ্র ঋণদান প্রকল্প: BEEC

 

স্টাফ রিপোর্টার:ঢাকা:– গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয় নিবন্ধিত একটি সুনামধর্মী জাতীয় স্বায়ত্তশাসিত বেসরকারি-স্বেচ্ছাসেবী, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান (NHRDO) ক্ষুদ্র অর্থায়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের পিছিয়ে পড়া জনগণের উন্নয়নে, আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে দীর্ঘমেয়াদী ভূমিকা রাখতে হলে-Human Rights Development Organization,: (NHRDR) NGO GOV.REG.No.(Gov: Reg: SSE 3780, K-S Act 09/10) (বিজ) টিম এ যোগদান করুন।

Manual3 Ad Code

বিজ জাতীয় পর্যায়ের একটি বেসরকারি, অরাজনৈতিক ও অলাভজনক সংস্থা। সংস্থাটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ে র আওতাধীন Microcredit Regulatory Authority (MRA) কর্তৃক সনদপ্রাপ্ত; সনদ নং ০০৫৭২-০২৫১৭-০০২৬৩। দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন দাতা সংস্থার আর্থিক সহযোগিতায় ক্ষুদ্র অর্থায়ন, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা সহ বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করে আসছে। সংস্থা দেশের সকল বিভাগে যেমন: ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর, ও ময়মনসিংহ বিভাগ সমূহে সফলতার সঙ্গে কার্যক্রম পরিচালনা করে চলছে। বিজ-এর ক্ষুদ্র অর্থায়ন কার্যক্রমে পুনরায় সরকারি সকল প্রকার নীতিমালা মেনে নিম্নোক্ত পদ সমূহে জরুরিভাবে জনবল নিয়োগ করা হবে – এই সুযোগ সীমিত সময়ের জন্য, আজি আবেদন করুন কিংবা আপনার সিভি ইমেইল করুন আমাদের অফিসিয়াল জিমেইল একাউন্টগুলোতে।

মাঠ প্রশাসন (গ্রেট -১):৩০০ জন:

(গ্রেট -১): শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম স্নাতক পাশ। ক্ষুদ্র অর্থায়নে অভিজ্ঞতা থাকা ভালো। সর্বনিম্ন ২২ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বেতন ভাতা ও প্রারম্ভিক সুবিধা সমূহ: বাড়ি-ভাড়া, চিকিৎসা-ভাতা এবং অন্যান্য ভাতাসহ এ পদের জন্য মাসিক মোট বেতন ভাতা স্থায়ীকরণের পর স্থান ভেদে প্রায় ৩৬,০০০/- টাকা হতে ৪৪,০০০/- টাকা।

Manual3 Ad Code

 

মাঠ প্রশাসন (গ্রেট -১):২৫০ জন:

(গ্রেট- ২ ): শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা: ন্যূনতম এইচএসসি পাশ। ক্ষুদ্র অর্থায়নে অভিজ্ঞতা থাকা ভালো। বয়স সর্বনিম্ন ২২ থেকে সর্বোচ্চ ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। বেতন ভাতা ও প্রারম্ভিক সুবিধা সমূহ: বাড়ি-ভাড়া, চিকিৎসা-ভাতা এবং অন্যান্য ভাতাসহ এ পদের জন্য মাসিক মোট বেতন স্থায়ী করণের পর স্থান ভেদে প্রায় ৩৪,০০০/- টাকা হতে ৪০,০০০ টাকা।

দায়িত্বাবলি:

উভয় পদে সংক্ষিপ্ত দায়িত্বাবলি: nhr.do.bd.BEEC এর সরকারি বেসরকারি সকল প্রজেক্ট গুলোতে সহ বিজ-এর কর্ম এলাকায় সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে নিয়ে সমিতি অফিস গঠন, সমিতি অফিস পরিচালনা, আমানত সংগ্রহ, ঋণ বিতরণ ও ঋণ আদায় সহ সমিতি অফিসের সম্মানিত সদস্যদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যেমন কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনায় আগ্রহী হতে হবে।

জামানত হিসাবে:

মাঠ কর্মকর্তা গ্রেড-১ যোগদানের সময় জামানত হিসাবে ৬০,০০০/-টাকা জমা দিতে হবে।

মাঠ কর্মকর্তা গ্রেড-২ যোগদানের সময় জামানত হিসাবে ৫০,০০০/-টাকা জমা দিতে হবে।

চাকুরি হতে অবসর/ অব্যাহতি নিলে জামানতের জমাকৃত অর্থ ফেরত যোগ্য।

সুযোগ-সুবিধাসমূহ:

উভয় পদে যোগদানের পর প্রথম ১ মাস প্রাক নিয়োগ দক্ষতা যাচাই/প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করতে হবে। এ সময়ে ৯০০০/- হতে ৯৫০০/- টাকা সম্মানী ভাতা প্রদান করা হবে। ১ মাস পর সন্তোষ জনক মূল্যায়নের ভিত্তিতে শিক্ষানবিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হবে। শিক্ষানবিশ কাল ৩ মাস। এ সময়ে সর্বসাকুল্যে শিক্ষানবিশ ভাতা মাঠ কর্মকর্তা-১ পদে মাসিক ২১,০০০/- টাকা ও মাঠ কর্মকর্তা গ্রেড-২ পদে ২০,০০০/- টাকা প্রদান করা হবে। সফলভাবে ৩ মাস শিক্ষানবিশকাল সম্পন্ন হলে বিজ-এ স্থায়ী করণ করা হবে এবং স্থান ভেদে উল্লেখ্য মোট বেতন-ভাতাদি প্রাপ্য হবেন। সংস্থার চাকুরি নীতিমালা অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত স্টাফ প্রতি বছরে বেতন এর অতিরিক্ত দুইটি উৎসব বোনাস (প্রতিটি মূল বেতন এর সমপরিমান), বৈশাখি ভাতা, কন্ট্রিবিউটরী প্রভিডেন্ট ফান্ড (১০%নিজ এবং ১০% সংস্থার অর্থাৎ প্রতি কর্মকর্তাকে মোট মূল বেতনের ২০%), বছরে ২টি গ্রাচ্যুইটি (প্রতিটি মূল বেতনের সমপরিমান), পারফরমেন্স ইনসেনটিভ, দূরত্ব ভাতা, মটর সাইকেল ভাতা, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি, মোবাইল ফোন ভাতা, PRL-(প্রায় সরকারি চাকুরির পেনশন সুবিধার এর মতো সুবিধা, ২৫/৩০ বছর চাকুরি পূর্ণ হলে যথাক্রমে ১০/১২ মাসের পূর্ণ বেতন ভাতা), বিএসএসপি (বিজ স্টাফ সুরক্ষা প্রোগ্রাম), স্টাফ কল্যাণ ভাতা, গ্রুপ বীমার সুবিধা পাবেন। এ ছাড়াও বিনা খরচে একক আবাসনের ব্যবস্থাসহ সকাল/দুপুরের খাবারের ভাতা প্রদান করা হবে। প্রতি বছর জুলাই মাসে বিগত ১২ মাসের কর্ম মূল্যায়ন সন্তুষ্টি সাপেক্ষে মূল বেতনের ০৫% বৃদ্ধি প্রাপ্ত হবে।

 

আগ্রহী প্রার্থীদের উল্লেখিত পদে নিয়োগের জন্য স্বহস্তে লিখিত আবেদনপত্র আহ্বান করা যাচ্ছে। আবেদন করতে হবে “উপ-সহকারী পরিচালক, (মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ) (,NHRDR)(BEEC)  প্রধান কার্যালয়, ঢাকা ধামরাই পৌরসভা কায়ের পাড়া বাড়ি নং( ১)

E-mail info.nhrdo.beec@gmail.com . mobile +৮৮০১৭১৮৬৫৫৩৯৯

আবেদনে নিজ নাম, পিতা/স্বামীর নাম, স্থায়ী ও পত্র যোগাযোগের ঠিকানা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, এনআইডি/স্মার্ট কার্ড/জন্ম নিবন্ধন নং, রক্তের গ্রুপ ইত্যাদি উল্লেখ করতে হবে। আবেদনে সংযুক্ত করতে হবে: আবেদনকারীর রঙিন ছবি ২কপি, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ এর ফটোকপি, প্রশিক্ষণ থাকলে তার সনদ, এনআইডি/ জন্য নিবন্ধন সনদ, অভিজ্ঞতা সনদ, নমিনির নাম, বয়স, সম্পর্ক। আবেদনকৃত খামের উপরে (পদের নাম, নিজ জেলার নাম, নিজ বিভাগের নাম উল্লেখ করতে হবে)।

আগ্রহী মহিলা প্রার্থীগণ কে আবেদনে উৎসাহিত করা হচ্ছে।

(বিবেচনায় বিশেষ সুবিধা) >

Manual1 Ad Code

এছাড়া উক্ত প্রতিষ্ঠানের ই-মেইল নাম্বারে আবেদন পত্র পাঠানোর নির্দেশনা রয়েছে- ই-মেল নাম্বারে আবেদন করে, পুনরায় আবার, সেই আবেদনের, স্কিন কপি আবেদনের ১২ ঘন্টা পর পুনরায় আবার করিতে হইবে, এইরূপ হইলে উক্ত আবেদন বৈধতা পাবে এবং প্রতিষ্ঠান আবেদনের দায়ভার গ্রহণ করিতে অঙ্গীকারবদ্ধ: ই-মেইল : nhr.do.bd@gmail.com,

আবেদনপত্র জমাদানের শেষ তারিখ ০১/০৫/২০২৬ ইং পর্যন্ত।

Manual5 Ad Code

 

(লিখিত ও মৌখিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত:

নির্বাচনী পরীক্ষা বিভাগীয় পর্যায়ে NHRDO. BEEC. এর নির্ধারিত অফিসে অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার স্থান, তারিখ, দিন ও সময় মোবাইল ফোন অথবা এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিতির সময় পরীক্ষা ফি বাবদ ৩৫০/-টাকা জমা দিতে হবে। উল্লিখিত বিভাগ সমূহে নির্বাচনী (লিখিত ও মৌখিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।  (এ জন্য অবশ্যই  সক্রিয় মোবাইল নম্বর আবেদনে উল্লেখ করতে হবে)

(বিশেষ নজর): অবশ্যই প্রতিষ্ঠানের বাহিরে অন্য কোন প্রতিষ্ঠান কিংবা কোন ব্যক্তির সাথে অর্থনৈতিক লেনদেন থেকে বিরত থাকিবেন।

নিয়োগ সূত্র-দৈনিক প্রথম আলো নভেম্বর ২০২৫, কালের কন্ঠ ও জাতীয় দৈনিক স্বাধীন ভাষা প্রকাশিত,০১/০১/২০২৬.

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code