২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

‘এশিয়ার বৃহত্তম’ স্বর্ণভাণ্ডারের খোঁজ মিললো চীনের সমুদ্রতলে!

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৫:২৩ অপরাহ্ণ
‘এশিয়ার বৃহত্তম’ স্বর্ণভাণ্ডারের খোঁজ মিললো চীনের সমুদ্রতলে!

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

চীন প্রথমবারের মতো সমুদ্রতলে স্বর্ণভাণ্ডারের খোঁজ পাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির শানডং প্রদেশের ইয়ানতাই শহরের লাইঝৌ উপকূলের কাছে এই স্বর্ণভাণ্ডার আবিষ্কৃত হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, এটি এশিয়ার সবচেয়ে বড় সমুদ্রতলের স্বর্ণভাণ্ডার হতে পারে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

Manual4 Ad Code

এই আবিষ্কারের ফলে লাইঝৌ অঞ্চলে প্রমাণিত মোট স্বর্ণের মজুত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৯০০ টনের বেশি, যা চীনের মোট স্বর্ণ মজুতের প্রায় ২৬ শতাংশ। ইয়ানতাই সিটি সরকার এক সম্মেলনে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। তবে সমুদ্রতলে আবিষ্কৃত নতুন স্বর্ণভাণ্ডারটির সুনির্দিষ্ট আকার জানানো হয়নি।
এই তথ্য অনুযায়ী, লাইঝৌ এখন চীনের মধ্যে স্বর্ণের মজুত ও উৎপাদন দুই ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থানে রয়েছে।

Manual4 Ad Code

বিশ্লেষকদের মতে, এই আবিষ্কার চীনের স্বর্ণ অনুসন্ধান সক্ষমতায় একটি বড় অগ্রগতি এবং ইঙ্গিত দিচ্ছে যে দেশটির মোট স্বর্ণ মজুত আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
গত মাসে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় লিয়াওনিং প্রদেশে ১,৪৪৪.৪৯ টন মজুতের একটি ‘সুপার-লার্জ’ স্বর্ণভাণ্ডার আবিষ্কারের ঘোষণা দেয় দেশটি। প্রাকৃতিক সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মতে, ১৯৪৯ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার পর এটিই সবচেয়ে বড় একক স্বর্ণভাণ্ডার।

এর আগে নভেম্বরে, শিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের পশ্চিম সীমান্তের কাছে কুনলুন পর্বতমালায় এক হাজার টনের বেশি সম্ভাব্য মজুতসম্পন্ন আরেকটি স্বর্ণভাণ্ডারের সন্ধান পাওয়া যায়।
২০২৩ সালের নভেম্বরে শানডং প্রদেশ জানায়, তারা চীনের মোট স্বর্ণ মজুতের প্রায় এক-চতুর্থাংশ শনাক্ত করেছে। এর মধ্যে জিয়াওদং উপদ্বীপে অবস্থিত ৩,৫০০ টনের বেশি স্বর্ণ রয়েছে, যা বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম স্বর্ণখনি বেল্ট হিসেবে পরিচিত।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code