২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন অবরোধ সমর্থনকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির আইন পাস ভেনেজুয়েলায়

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৪, ২০২৫, ০৫:০২ অপরাহ্ণ
মার্কিন অবরোধ সমর্থনকারীদের জন্য কঠোর শাস্তির আইন পাস ভেনেজুয়েলায়

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

অবরোধ এবং জলদস্যুতা সংক্রান্ত কার্যকলাপে সহায়তাকারী বা অর্থায়নকারী ব্যক্তিদের জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রেখে আইন পাস করেছে ভেনেজুয়েলা। যার মধ্যে ২০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অন্তর্ভুক্ত আছে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো, ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে কারাকাসে সরকার-আয়োজিত বেসামরিক-সামরিক পদযাত্রার সময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজের কথা শুনছেন ।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার সাথে সম্পর্কিত তেল ট্যাংকার আটক করার পর এই আইনটি পাস করা হয়।
প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকার এই কাজকে জলদস্যুতার আইনবিরোধী কাজ বলে নিন্দা করেছেন।
‘এই আইনটি জাতীয় অর্থনীতি রক্ষা করতে এবং জনগণের জীবনযাত্রার মান খারাপ হওয়া থেকে বাঁচাবে। মাদুরোর নিয়ন্ত্রিত দল, জাতীয় পরিষদে আইনটি উপস্থাপনের সময় আইনপ্রণেতা জিউসেপ্পে আলেসান্দ্রেলো এ কথা বলেন।

Manual6 Ad Code

গত কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র দফায় দফায় আক্রমণাত্মক পদক্ষেপ নিয়েছে ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে। তার মধ্যে ল্যাটিন আমেরিকায় বিশাল সামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে, তেলের ট্যাংকার জব্দ করেছে, কথিত মাদক পাচারকারী নৌকাগুলোর উপর সামরিক হামলায় কয়েক ডজন লোককে হত্যা করেছে এবং ভেনেজুয়েলায় স্থল হামলার হুমকি দিয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় তেল ট্যাংকার আটকের মতো কাজের বৈধতা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। এছাড়া কথিত মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে হামলার ঘটনাও ব্যাপকভাবে অবৈধ বলে বিবেচিত হয়।
এদিকে, মঙ্গলবার জাতিসংঘে ভেনেজুয়েলার প্রতিনিধি স্যামুয়েল মনকাডা নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) এক বৈঠকে বলেন, ‘আমরা এমন একটি শক্তির উপস্থিতিতে রয়েছি যারা আন্তর্জাতিক আইনের বাইরে কাজ করে, ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের আমাদের দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার এবং দেশ অন্যের হাতে তুলে দেয়ার দাবি করছে।

Manual7 Ad Code

তবে, চীন ও রাশিয়া সাম্প্রতিক মার্কিন পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে।
এর আগে মাদুরো অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র তার সরকারকে উৎখাত করতে এবং ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল মজুদের নিয়ন্ত্রণ দখল করতে চাইছে, যেগুলো ট্রাম্প প্রশাসনের সদস্যরা মিথ্যাভাবে দাবি করেছেন যে তা যুক্তরাষ্ট্রের।
এছাড়া সোমবার ট্রাম্প বলেছেন যে ট্যাংকারগুলো থেকে জব্দ করা তেলের পাশাপাশি জাহাজগুলো যুক্তরাষ্ট্র ধরে রাখবে বা বিক্রি করবে।

Manual4 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code