২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৩রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ লাখ কর্মী নেবে সৌদি আরব ও আমিরাত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ১২:২২ অপরাহ্ণ
২০৩০ সালের মধ্যে ১৫ লাখ কর্মী নেবে সৌদি আরব ও আমিরাত

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যাপক প্রসার সত্ত্বেও আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১৫ লাখের বেশি কর্মীর চাহিদা তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০২৫ সালে প্রকাশিত একটি বৈশ্বিক শ্রমশক্তি সমীক্ষায় এই তথ্য উঠে এসেছে।
দুবাইয়ে বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু টাওয়ার বুর্জ খলিফার কাছে কাজ করছে শ্রমিকরা।

Manual8 Ad Code

গবেষণায় দেখা গেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবসা পরিচালনার ধরণ পরিবর্তন করলেও এটি উপসাগরীয় অঞ্চলে মানবকর্মীর সামগ্রিক চাহিদা হ্রাস করছে না। বরং এর পরিবর্তে শক্তিশালী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্প এবং সরকারি ও বেসরকারি পরিষেবা সম্প্রসারণের মতো উভয় দেশেই শ্রমের টেকসই চাহিদাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

সৌদি আরবের ‘ভিশন ২০৩০’ অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচির কারণে শ্রমশক্তির চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরমধ্যে নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পর্যটন, উৎপাদন, সরবরাহ এবং নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চলে বৃহৎ বিনিয়োগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি না হলে, সৌদি আরবের সম্প্রসারণ পরিকল্পনাগুলোকে বাস্তবায়ন করার জন্য আরও প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার অতিরিক্ত কর্মীর প্রয়োজন হতো। সয়ংক্রিয় ব্যবস্থা বিবেচনা নেয়ার পরও, আগামী বছরগুলোতে দেশটিকে উল্লেখযোগ্য শ্রম ঘাটতির মুখে পড়তে হতে পারে।

Manual5 Ad Code

অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শ্রমশক্তির চাহিদা আরও দ্রুত বৃদ্ধি পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের মোট কর্মীর সংখ্যা ১২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি পেতে পারে, যা সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে এটিকে দ্রুততম বর্ধনশীল শ্রমবাজারগুলোর মধ্যে একটিতে পরিণত করবে।

Manual7 Ad Code

প্রতিবেদনে বলা হয়, মানবকর্মীর এই ১২ দশমিক ১ শতাংশ বৃদ্ধি সমীক্ষায় অন্তর্ভুক্ত বাজারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। অন্যদিকে সৌদি আরবের কর্মীর বৃদ্ধি ১১ দশমিক ৬ শতাংশ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিপরীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (২ দশমিক ১), যুক্তরাজ্যের (২ দশমিক ৮ শতাং) মতো প্রধান অর্থনীতিতে এই সম্প্রসারণ অনেক বেশি ধীর।

গবেষণাটি পরিচালনা করেছে সার্ভিসনাউ ও পিয়ারসন। সার্ভিসনাউ হলো যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার কোম্পানি, যা বিভিন্ন দেশের সরকার ও বড় বড় প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ওয়ার্কফ্লো এবং অটোমেশন প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। অন্যদিকে পিয়ারসন হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি বৈশ্বিক শিক্ষা কোম্পানি, যা শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন ও শ্রমশক্তি মূল্যায়নে বিশেষ পারদর্শী।”

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code