৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রের যদি রাশিয়ান জ্বালানি কেনার অধিকার থাকে, তাহলে ভারতের কেন নয়

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৫, ২০২৫, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের যদি রাশিয়ান জ্বালানি কেনার অধিকার থাকে, তাহলে ভারতের কেন নয়

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু ,স্টাফ রিপোর্টার

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাশিয়ার জ্বালানি কেনার অধিকার থাকে, তাহলে ভারতের কেন তা থাকবে না।

Manual1 Ad Code

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) ইন্ডিয়া টুডের সাথে সাক্ষাতকারে এমন কথা বলেন পুতিন। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং পুতিনের মধ্যে বার্ষিক ভারত-রাশিয়া শীর্ষ সম্মেলন আলোচনা শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।

ভারতের, রাশিয়ান তেল কেনা নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্য সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে রাশিয়ান নেতা এ কথা করেন।

Manual8 Ad Code

ইন্ডিয়া টুডেকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন আরও বলেন, ‘রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি সম্পদ কেনার বিষয়ে, আমি উল্লেখ করতে চাই এবং ইতিমধ্যেই একবার জনসমক্ষে উল্লেখ করেছি যে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও তাদের নিজস্ব পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আমাদের কাছ থেকে পারমাণবিক জ্বালানি কিনে থাকে।

Manual6 Ad Code

হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, দুই দিনের সফরে ভারতে আসা পুতিন যুক্তি দিয়েছিলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র তার চুল্লিগুলোর জন্য ইউরেনিয়াম কিনে, তাহলে ভারতেরও একই সুযোগ থাকা উচিত। এর আগে রাশিয়ার তেল কেনার জন্য ট্রাম্প ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। যার ফলে গত আগস্টে মোট শুল্ক ৫০ শতাংশে দাঁড়ায় যা সমস্ত দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এদিকে, ট্রাম্পের শুল্ক আরোপের বিষয়ে বলতে গিয়ে পুতিন বলেন, আমি মনে করি তিনি (ট্রাম্প) ভালো কিছু ভেবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

পুতিন বলেন, তিনি তার নিজস্ব নীতি অনুসরণ করেন এবং তার উপদেষ্টা আছেন। তার সিদ্ধান্তগুলো কোনোভাবেই অবাস্তব নয়।

তার এমন উপদেষ্টা আছেন যারা বাণিজ্য অংশীদারদের উপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সাথে জড়িত শুল্ক নীতি বাস্তবায়নে বিশ্বাসী, যা শেষ পর্যন্ত মার্কিন অর্থনীতির জন্য উপকারী। পুতিন যোগ করেন, রাশিয়া এই ধরনের অনুশীলন অনুসরণ করে না এবং ভবিষ্যতেও দেশটির এমন কোনো ইচ্ছা নেই।

Manual1 Ad Code

‘আমাদের বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন যে এতে ঝুঁকি রয়েছে, তবে কোন অর্থনৈতিক নীতি গ্রহণ করা উচিত তা সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রতিটি দেশ এবং তার নেতৃত্বের নিজস্ব পছন্দ। আমরা কখনও এই ধরণের অনুশীলনে জড়িত হইনি, এখন করি না এবং ভবিষ্যতেও করার কোনও ইচ্ছা নেই।

আমাদের অর্থনীতি উন্মুক্ত। আমরা আশা করি যে, শেষ পর্যন্ত, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়মাবলীর সমস্ত লঙ্ঘন সংশোধন করা হবে।’ পুতিন বলেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code