প্রশাসনের পাহারায় টঙ্গী বাজার বস্তিতে মাদক ব্যবসা জমজমাট শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী কে এই লাইলি --২য় পর্ব
মোঃলিমন হোসেন গাজীপুর থেকে; গাজীপুর পশ্চিম থানাধীন টঙ্গীর আলোচিত মাদক কারবারি লাইলি প্রশাসনের নাকের ঢুকাইতে চলছে মাদকের হাট বানিজ্য । টঙ্গী বাজার মাজার বস্তি সম্রাজ্ঞী বর্তমানে নিজেকে মাদক রানী হিসেবে পরিচিতি লাভ করছেন। লাইলি জামাই একজন সন্ত্রাসী গডফাদার তোর নাম আরিফ যাঁর ইশারা চলে চুরি, ছিনতাই, পকেটমার, নিজের স্বার্থের জন্য সময়ের সাথে সাথে দিনে দিনে অপরাধের সম্রাজ তৈরি করে নিয়েছেন। টঙ্গী মাজার বস্তিতে হাত বাড়ালে মরণ নেশা মাদক পাওয়া যায় তার সহযোগী হিসেবে ৫৭ নং ওয়ার্ড ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ডুবলি তাদের সহযোগিতা মধ্যে দিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে এই মাদক ব্যবসা।
গোপন সূত্র জানা যায় যে, মাজার বস্তিতে সন্ধাহলে মাদকের হাটবসে তা নিয়ন্ত্রণ করে আসছে লাইলি যে ২০২৩ সালে কক্সবাজারে মাদকসহ তাকে প্রশাসন গ্রেপ্তার করেন। কিছু দিন জেল খাটার পরে এসে নতুন করে চালাচ্ছে মাদক ব্যবসা এখন তিনি প্রশাসনকে মেনেজ করে এখানকার যুবকদের দিয়ে চলছে মাদক ব্যবসা। এই মাজার বস্তিতে বিভিন্ন সময় কয়েক যৌথ বাহিনী অভিযান চালানো পরে কোন অধরা শক্তির মাধ্যমে ধরার ছোঁয়ার বাইরে।
মাদক ব্যবসা সম্রাজ্ঞী লাইলির স্বামী আরিফ একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী তার নামে বিগত দিনে একাধিক মামলা রয়েছে টঙ্গী পূর্ব থানায়।চাঁদাবাজি, মাদক ইয়াবা, ফেন্সি, গাজা, হিরোইনসহ ইত্যাদি ব্যবসা করে আসছে দাপটের সাথে। কিশোর গাং তৈরি করেন নিজের কাজের হাসিয়াল করার লক্ষে এদের কে ব্যবহার করে আসছে মাদকের বিক্রি শুরু করে। এই মাদক বিক্রি করে নিজের বিলাসী জীবন যাপন করছে প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা টাকা মাদক বিক্রি করে আসছে। এদের নামে কেউ ভয়ে মুখ খুলতে ভয় পাই মাজার বস্তির এখান কার যুবসমাজ ধ্বংস করে দিচ্ছে। টঙ্গী বাজার প্রতি রবিবারে অবৈধভাবে হাট বসিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এবং কিছু গ্রুপ তৈরি করেন এই আরিফ।
টঙ্গী পশ্চিম থানা ওসি বলেন মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স এই সমস্ত মাদকের গ্রেফতার করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শক্ত অবস্থানে রয়েছে। টঙ্গী মাদারবস্তিতে আমাদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে কয়েকবার অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয় এবং আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।